দ্রব্যমূল্য, শিক্ষা, বাসস্থান, দুর্নীতি, রাজনৈতিক অধিকার, যুদ্ধ ও যৌন সহিংসতার বিরুদ্ধে বিভিন্ন দেশে রাস্তায় নেমেছেন মানুষ। তবে এসব বিক্ষোভ একই নেতৃত্বের অধীনে পরিচালিত কোনো ‘বিশ্ব অভ্যুত্থান’ নয়; প্রতিটি দেশের প্রেক্ষাপট আলাদা।
ইউরোপে ১৭ অক্টোবর ফ্রান্সে কয়েক লাখ মানুষ জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি, শিক্ষাব্যবস্থা ও জনসেবার অবনতির প্রতিবাদ জানান। বেশির ভাগ সমাবেশ শান্তিপূর্ণ থাকলেও কিছু এলাকায় সংঘর্ষ, অগ্নিসংযোগ ও গ্রেপ্তারের ঘটনা ঘটে। বেলজিয়ামে শিক্ষাব্যয় ও সংস্কার, ইতালিতে যুদ্ধ ও মূল্যবৃদ্ধি, পর্তুগালে বাসাভাড়া ও কম মজুরি এবং স্পেনে আবাসনসংকট নিয়ে বিক্ষোভ হয়েছে। আলবেনিয়ায় দুর্নীতির অভিযোগ ও শিক্ষা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করছেন।
আমেরিকায় ১৭ অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্রের ‘নো কিংস’ সমাবেশে ভোটাধিকার ও গণতান্ত্রিক জবাবদিহির দাবি ওঠে। চিলিতে সরকারি শিক্ষার সম্ভাব্য বাজেটছাঁটাইয়ের বিরুদ্ধে, আর্জেন্টিনায় বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থায়ন কমানোর প্রতিবাদে এবং মেক্সিকোর গুয়াদালাহারায় দূষিত পানির সংকট নিয়ে মানুষ রাস্তায় নেমেছেন। পেরুতেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে কেন্দ্র করে সম্প্রতি প্রতিবাদ হয়েছে।
এশিয়ায় পাকিস্তানে ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে বিরোধীদের পদযাত্রা এবং ভারতে ভোটার তালিকার বিতর্কে বিক্ষোভ ও আটকের ঘটনা ঘটেছে। আফ্রিকার তিউনিসিয়ায় ১৭ অক্টোবর হাজারো মানুষ অর্থনৈতিক দুরবস্থা, রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তি ও নাগরিক স্বাধীনতার দাবিতে সমাবেশ করেছেন।
অন্যদিকে গাজায় যুদ্ধ বন্ধের দাবিতে লন্ডন, রোম ও বার্লিনে বিক্ষোভ হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে যৌন সহিংসতার শিকার ব্যক্তিদের ন্যায়বিচার, এপস্টিন-সংশ্লিষ্ট অভিযোগের স্বচ্ছ তদন্ত এবং ভুক্তভোগীদের সুরক্ষার দাবিতেও সমাবেশ হয়েছে।




